কমলাকান্ত (১৮৮৫) - উইকিসংকলন একটি মুক্ত পাঠাগার
বিষয়বস্তুতে চলুন
প্রধান মেনু
প্রধান মেনু
পার্শ্বদণ্ডে নিন লুকান
পরিভ্রমণ
প্রধান পাতা
কেন্দ্রীয় আলোচনা
সাম্প্রতিক পরিবর্তন
যদৃচ্ছ লেখা
যদৃচ্ছ লেখক
যদৃচ্ছ নির্ঘণ্ট
প্রদর্শন পছন্দ
অনুসন্ধান
অনুসন্ধান
অবয়ব
দান করুন
অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
প্রবেশ করুন
নিজস্ব সরঞ্জামসমূহ
দান করুন
অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন
প্রবেশ করুন
কমলাকান্ত (১৮৮৫)
ভাষা যোগ করুন
আন্তঃউইকি সংযোগ দিন
পাতা
উৎস
আলোচনা
বাংলা
পড়ুন
সম্পাদনা
ইতিহাস দেখুন
সরঞ্জাম
সরঞ্জাম
পার্শ্বদণ্ডে নিন লুকান
কার্য
পড়ুন
সম্পাদনা
ইতিহাস দেখুন
সাধারণ
সংযুক্ত পাতা
সম্পর্কিত পরিবর্তন
স্থায়ী সংযোগ
পাতার তথ্য
এই পাতাটি উদ্ধৃত করুন
সংক্ষিপ্ত ইউআরএল নিন
মুদ্রণ/রপ্তানি
মুদ্রণযোগ্য সংস্করণ
ইপাব ডাউনলোড
মোবি ডাউনলোড
পিডিএফ ডাউনলোড
অন্য সংস্করণ বাছুন
অন্যান্য প্রকল্পে
উইকিপিডিয়া
উইকিউপাত্ত আইটেম
অবয়ব
পার্শ্বদণ্ডে নিন লুকান
ডাউনলোড করুন
উইকিসংকলন থেকে
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
কমলাকান্ত
১৮৮৫
কমলাকান্ত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-
কমলাকান্ত।
অর্থাৎ
১। কমলাকান্তের দপ্তর।
২। কমলাকান্তের পত্র।
৩। কমলাকান্তের জোবানবন্দী।
শ্রীবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
প্রণীত।
কলিকাতা
৩৭ নং মেছুয়াবাজার ষ্ট্রীট—বীণাযন্ত্রে
শ্রীশরচ্চন্দ্র দেব দ্বারা মুদ্রিত
ও
২ নং ভবানীচরণ দত্তের লেন হইতে
শ্রীউমাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্ত্তৃক
প্রকাশিত।
১২৯২
মূল্য ১০ টাকা।
বিজ্ঞাপন।
এই গ্রন্থ কেবল “কমলাকান্তের দপ্তরের” পুনঃ সংস্করণ নহে। “কমলাকান্তের দপ্তর” ভিন্ন ইহাতে “কমলাকান্তের পত্র ও কমলাকান্তের জোবানবন্দী” এই দুইখানি নূতন গ্রন্থ আছে।
কমলাকান্তের দপ্তরেও দুইটি নূতন প্রবন্ধ এবার বেশী আছে। “চন্দ্রালোকে,” এবং “স্ত্রীলোকের রূপ” এই দুইটি প্রবন্ধ কমলাকান্তের দপ্তরের প্রথম সংস্করণে পরিত্যাগ করা গিয়াছিল। তাহার কারণ এই যে, ঐ দুইটি আমার প্রণীত নহে। “চন্দ্রালোকে” আমার প্রিয় সুহৃৎ শ্রীমান্ বাবু অক্ষয়চন্দ্র সরকারের রচিত; এবং “স্ত্রীলোকের রূপ” আমার প্রিয় সুহৃৎ শ্রীমান বাবু রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের রচিত। উঁহারা স্ব স্ব রচনার সঙ্গে ঐ প্রবন্ধদ্বয় পুর্নমুদ্রিত করিবেন, এই ইচ্ছায়, আমি কমলাকান্তের দপ্তরের প্রথম সংস্করণে ঐ দুইটি পরিত্যাগ করিয়াছিলাম। এক্ষণে লেখকদিগের নিকট জানিয়াছি যে, তাঁহারা ঐ দুইটি প্রবন্ধ নিজে নিজে পুনর্মুদ্রিত করিবার কোন সম্ভাবনা নাই। অতএব, তাঁহাদের ইচ্ছানুসারে, ঐ দুইটি প্রবন্ধ কমলাকান্তের দপ্তরের দ্বিতীয় সংস্করণ-ভুক্ত করা গেল।
কমলাকান্তের পত্র তিনখানি মাত্র বঙ্গ-দর্শনে প্রকাশিত হয়। তিনখানি ভাঙ্গিয়া এখন চারিখানি হইয়াছে। “বুড়া বয়সের কথা” যদিও বঙ্গদর্শনে কমলাকান্তের নামযুক্ত হইয়া প্রকাশিত হয় নাই, তথাপি উহার মর্ম্ম কমলাকান্তি বলিয়া উহাও “কমলাকান্তের পত্র” মধ্যে সন্নিবেশিত করি। মোটে পাঁচখানি।